আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা‘আলার অপার মেহেরবানীতে ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ্ অনুসরণে, *মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা* প্রতিষ্ঠার অন্যতম লক্ষ্যই হলো সমাজে দ্বীনের সঠিক দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া।
★ ইসলামের পথে নূরানী আলো ছড়ানো:
এই মাদরাসা কেবলমাত্র পড়ালেখার জায়গা নয়; এটি একটি *ইসলামি দাওয়াহ্ কেন্দ্র*। ছাত্রীদের শিক্ষা ও tarbiyah এর মাধ্যমে সমাজে দ্বীনের আলো ছড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়।
মাদরাসার দাওয়াতি কার্যক্রমের কিছু দিক:
1. *নূরানী শিক্ষা ও কুরআন চর্চা:*
ছোট থেকে বড়, বয়স্কা মহিলাদের জন্য কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করে দ্বীনের প্রাথমিক দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া।
2. *আখলাক ও চরিত্র গঠনে পাঠদান:*
ছাত্রীরা কেবল হিফজ বা কিতাব পড়েই থেমে থাকে না, বরং আদব, লজ্জাশীলতা, আল্লাহভীতি, বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ—এসব গুণে গুণান্বিত হয়ে বেড়ে উঠে।
3. *মাহফিল ও ইসলামী প্রোগ্রাম:*
বিভিন্ন সময় ছাত্রীরা ওস্তানীদের সহযোগিতায় ইসলামি দাওয়াহ্ ও সভা-সেমিনারে অংশ নেয়।
4. *পারিবারিক ও সামাজিক দাওয়াহ:*
শিক্ষিত ছাত্রীরা নিজ পরিবার, আত্মীয় ও পাড়া-প্রতিবেশীদের মাঝে নামায, পর্দা, ইসলামী শিষ্টাচার সম্পর্কে দাওয়াত পৌঁছে দেয়।
5. *নারী সমাজকে জাহেলিয়াত থেকে বের করে আনা:*অজ্ঞতা, সংস্কৃতির অন্ধ অনুসরণ, অশ্লীলতা ও কুসংস্কার থেকে বের করে আলোকিত ইসলামী জীবনধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য মাদরাসাটি কাজ করছে।
নবীজির আদর্শে নারীদের দাওয়াতি ভূমিকা:
উম্মে সালামা, আয়েশা (রা.) সহ সাহাবিয়াতগণ দ্বীনের দাওয়াতের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মাদরাসার উদ্দেশ্য—আজকের মেয়েদের সেই আদর্শে গড়ে তুলে আগামী দিনের নারী নেতৃত্ব ও ইসলামের আলোকবর্তিকা হিসেবে গড়ে তোলা।
উপসংহার:
*মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা* একটি পরিশুদ্ধ ইসলামী নারী শিক্ষা ও দাওয়াতি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি পরিবারে ইসলামের আলো পৌঁছানো, পর্দাশীল ও জ্ঞানী মা-বোন তৈরির মধ্য দিয়ে একটি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণই আমাদের লক্ষ্য।
*"তোমাদের মধ্যে একদল লোক থাকা উচিত, যারা দ্বীনের দিকে আহ্বান জানাবে, ভালো কাজের নির্দেশ দিবে এবং মন্দ থেকে নিষেধ করবে।"*
—(সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৪)
আসুন! আমরা সবাই এই দাওয়াহর কাজে সাহায্য করি, দোয়া করি ও পাশে থাকি।
জাযাকুমুল্লাহু খইরান।*